এমন একটা সময় ছিল যখন কম্পিউটারের নাম শুনেছি অনেকেই। কিন্তু বর্তমানে স্কুলর বাচ্চারা কম্পিউটারে গেইম খেলা থেকে শুরু করে দিয়েছে। এক কথায়, বিজ্ঞান বিপ্লবের সূচনা পর্ব ।
![]() |
| ছবি প্রতিকী |
কম্পিউটারে নানান ধরনের সফটওয়্যার নির্মাণে, কিন্তু আমাদের দেশ তখন প্রস্তুত ছিল না তাদের জন্য উপযুক্ত ক্ষেত্র তৈরিতে। এ কারণে ঐ সব কম্পিউটার বিশেষজ্ঞকে কাজ করতে হয় সাধারণ কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে। যেখানে তাদের কাজ হতো কম্পিউটারে টাইপ করা, কম্পোজ করা, হিসেবনিকেশ রাখা, ছবি সম্পাদনার কাজ করা, বড়জোড় ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের কাজ করা। বস্তুত এই সব কাজের জন্য কম্পিউটারের উপর উচ্চতর ডিগ্রির প্রয়োজন ছিল কি?
না,এখন কম্পিউটার শিক্ষা নিয়ে যারা উচ্চ শিক্ষিত মানুষ তারা অাজ বড় বড় জব করছে। দেশে ও বিদেশে তাদের চাহিদা দিনদিন বেড়ে চলছেই।
কিন্তু বতর্মান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপায়নে নিয়েছে বিশাল পরিকল্পনা। অাজকাল ফ্রিল্যান্সিং করে তরুণ প্রজন্মের অায় বাড়তে শুরু করে দিয়েছে।
পরবর্তীতে অর্থাৎ বর্তমান সময়ে আইটির সাথে যুক্ত হয়েছে কমিউনিকেশন অর্থাৎ যোগাযোগ। আইটির সাথে কমিউনিকেশন যুক্ত হয়ে এমন এক প্রত্যয় গড়ে তুললো যা সকলের সামনে খুলে দিল এক নতুন দিগন্তের। তথ্যের সহজপ্রাপ্যতা, অবাধ প্রবেশাধিকার ইত্যাদি প্রত্যয় নিয়ে গড়ে উঠলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। সাধারণত প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যের আদান-প্রদান বা যোগাযোগ করাকেই বলা হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। আর এ কাজের জন্য নিত্যনতুন উদ্ভাবন করা হচ্ছে নানান ধরনের প্রযুক্তি পণ্য। এসব তথ্যকে নিয়ে যাচ্ছে মানুষের হাতের নাগালে, ফলে যোগাযোগ হয়ে যাচ্ছে সহজ থেকে সহজতর।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আমাদের শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত করা হচ্ছে তখন আমাদের সামনে এসে দাড়াচ্ছে দুটো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-
(১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষা এবং
(২) শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
(২) শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
অনেকেই এই বিষয় দুটোকে একসাথে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু বিষয় দুটো সম্পূর্ণ পৃথক। প্রথমটি একটি বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেমন পদার্থ বিজ্ঞান, সাধারণ গণিত ইত্যাদি। দ্বিতীয়টি পাঠদানের সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা। আমাদের বর্তমান শিক্ষানীতিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়ে আসা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার ষষ্ঠ শ্রেণীতে বিষয় হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষা নামে একটি নতুন বিষয় যুক্ত করেছে। একটি হলো ব্যবহারিক ও অপরটি হলো তাত্ত্বিক। যার ফলে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে স্কুল কলেজ এর শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ অনেক অবিভাবক গণ ও অগ্রসর হতে ব্যাস্ত।
তবে বর্তমানে স্কুল কলেজে পাঠ্য বই আছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করার ব্যবহারিক শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান
তবে বর্তমানে স্কুল কলেজে পাঠ্য বই আছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করার ব্যবহারিক শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান



0 coment rios: